🔰🔱 বাংলা ইতি কথায় :মোদি ইতিহাস
শ্রীনরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী ভারত ও তথা বিশ্বের এক শক্তিশালী নেতা।বাম ও ধর্মনিরপেক্ষ পারিবারিক দলগুলো যখন লুটপাটে ব্যাস্ত, তাঁরা এই বলতে ব্যাস্ত থাকতো ভারত এক দরিদ্র দেশ,এই দেশটির মানুষ ভুখা -নাঙ্গা।দেশটি দাঙ্গা ও ফ্যাসাদের দেশ। সিনেমা থেকে সাহিত্যের একই কথা আমরা ইউরোপের মতো হতে পারবো না।আমাদের দ্বারা কিছু হবে না। সমস্ত কিছুর জন্য হিন্দুদের দায়ি করে তোষণ নীতি চালিয়ে যেতো ঠিক তখনই মোদিজীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময়।
বিদেশী আক্রমনের ১৩০০ বছর ছিল নিপীড়নের ইতিহাস। আমাদের আশা আকাঙ্খা অবদমিত হয়ে প্রকাশ হওয়ার পথ খুঁজে পাচ্ছিল না। মোদিজি সেখানে ত্রাতা। মোদিজি এবং মোদিজি আত্মনির্ভর ভারতের প্রতীক। ভারত বাসি এক সুরে বললো "We can do,I can" .
একটি দেশ যখন পৃথিবীতে সম্মান পায় তা হচ্ছে তিনটি কারণে একটি হচ্ছে, সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক শক্তি ও আজকের দিনে প্রযুক্তি। মোদিজি এই তিন জগতে পৃথিবীর প্রথম সারিতে।
 |
মোদিজি |
অটল বিহারী বাজপেয়ি একদিন বিজেপির এক নেতাকে ডেকে বললেন ,
 |
শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী |
"তুমি দোগলা-পাতলা হয়ে যাচ্ছো ! তোমাকে গুজরাট যেতে হবে ,মোটা রুটি খেতে হবে" ।
সেই বিজেপি নেতার গুজরাটে জন্ম কিন্তু তিনি গুজরাটে কোনদিন কাজ করেননি। সঙ্গে প্রচারক হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় এবং অন্য প্রদেশে কাজ করেছেন। মনে মনে সে ক্ষুন্ন হলো কিন্তু বাজপেয়ির মত ব্যক্তিত্বকে কিছু বলতে পারছে না। ছয় দিন মনমরা হয়ে বসে রইল। কোন কাজে মন বসছে না। ৬ দিন পর গুজরাটে রওনা হলো। কারণ বাজপেয়ী বলেছেন তাই এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হওয়ার নয় ।
 |
ধর্ম ধ্বজ |
গুজরাটের তিনি কিছু চেনেন না। গুজরাটে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা তার কাছে পরিচিত নয়। কিন্তু সেই অবস্থায় তাকে কাজ করতে হবে। এইটাই পার্টির সিদ্ধান্ত। এ আর কেউ নয় নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী। গুজরাটের এক দরিদ্র পরিবারের জন্ম। ভাব নগর জেলায়। এতটাই দরিদ্র মাকে পাশের বাড়িতে কাজ করতে হচ্ছে। বাবার স্টেশনে চায়ের দোকান। তখন এত যাতায়াতও ছিল না ,দু একটা ট্রেন চলাচল করতো। সেই বালক ,বাবাকে কয়লা ভেঙে দিত আর চা ট্রেনে ফেরি করে বিক্রি করতো। এসব কাজ করে আর দশটা ছেলের মতোই সেই স্কুলে যেতো ,তারপর শাখায় যেতো।
সঙ্গের প্রচারক হিসেবে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করার পর বিজেপিতে আসেন। বিভিন্ন সময়ে বিজেপির বিভিন্ন দায়িত্ব সামলেছেন। অটল বিহারী বাজপেয়ি, লাল কৃষ্ণ আদবাণী, এবং মুরুলি মনোহর জোশির সান্নিধ্যে এসে নিজেকে দলের উপযোগী করে তুলেছেন।
সঙ্গের নগর প্রচারক থেকে শুরু । নগর প্রচারক থাকাকালীন প্রত্যেক প্রচারককেই রান্নাবান্না করতে হয় । নিবাসে যারা আসেন এবং বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য রান্না বান্না থেকে ঘর মোছা এবং অন্যান্য কাজ নগর প্রচারককেই করতে হয়। প্রত্যেক নগর প্রচারক নিবাসের সমস্ত কাজ করেন। আবার সংগঠনেরও কাজ করেন। মোদিজিকে ও করতে হয়েছে।
তারপর কখনো রান্নাবান্না এবং কখনো কখনো প্রবাস করতে হয়েছে। সঙ্গের কাজ করার সময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে হয় । কোনদিন খাবার জোটে, কোনদিন জোটে না। তখন সঙ্গের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। তার মধ্যেই ব্যক্তি নির্মাণের কাজ করতে হয়। ব্যক্তির চরিত্র নির্মাণের জন্য শাখা পদ্ধতি রয়েছে। বিভিন্ন বাড়িতে যেতে হয় এবং তিনি নিজে একটা মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেটির কোন জানালা দরজা ছিল না। তার মধ্যে দীর্ঘদিন থেকেছেন। কেউ একটি বাইক দিয়েছিলেন তার মধ্যে তিনি ঘুমোতেন। নিবাসে যারা থাকেন, তারা ভোর চারটেয় উঠে যান। শৌচাদি করে গীতা পাঠ করতে হয় এবং চা খেয়ে শাখায় যান। এভাবেই সঙ্গের পদ্ধতি অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্র নির্মাণের কাজ করেছিলেন। জীবনে সাঙ্গঠনিক অভিজ্ঞতাও বাড়ছে এর চেয়ে বড় অভিজ্ঞতা আর কিছুই নেই। মানুষ চেনার ক্ষমতা বেড়ে যায়। লড়াই করার শক্তি জন্মায়। মোদিজি এই সব দিয়ে সংগঠন জীবন শুরু করেছিলেন।
 |
ইসারাইলের বন্ধুত্ব |
অটল বিহারী বাজপেয়ীর একটি কবিতা আছে এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য।
"ছোট মনসে কই বড়া নেহি হোতা,
টুটি মনসে কোই খাড়া নেহি হোতা "।
শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উক্তি আছে। "আমরা ছোট ছোট কাজকে অবহেলা করি বলিয়া আমরা বড় কাজ করিয়া উঠিতে পারি না।" মোদিজি ছোট ছোট কাজ দিয়ে জীবন আরম্ভ করেছিলেন তাই তিনি বড় হয়েছেন।
গুজরাটি কর সেবকদের হত্যা করা হলো। ট্রেনে পরিকল্পনা মাফিক আগুন দিয়ে মারা হলো ।কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ ভন্ডরা তাকে ধামাচাপা দিতে চাইলো ।কেউ বলল এগুলো হিন্দু সংগঠনগুলোর কাজ। গুজরাটের জনতা ক্ষেপে গেল দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ল। আসুরিক শক্তি বশে এলো জৈব শক্তির আবির্ভাব ঘটলো কিন্তু ঘটনা ওখানে থেমে নেই। ষড়যন্ত্রীরা সারা ভারতবর্ষে অপপ্রচার চালালো। মামলা চালানো হলো। গুজরাট থেকে মামলা সরানোর দাবি উঠলো।
 |
চোখে চোখ রেখে |
মোদিজি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পূর্বে এবং তৎ সময়ে ভারতের অবস্থা
এস আই টি বসানো হলো। এখানেও তিনি পাশ করলেন ।অভিযোগ মুক্ত হলেন ।ঠান্ডা মাথায় সব মোকাবেলা করেছেন। এইসব ব্যাপারে মোদিজিকে জড়ানো কংগ্রেস ও বামপন্থীদের এক একটি ষড়যন্ত্র ছিল।এই প্রসঙ্গে একথা উল্লেখ করতে হবে কমরেড তিস্তা শীতলা বাদ ফোর্ড ফাউন্ডেশন থেকে পাঁচ কোটি টাকা এনেছিলেন। Ford ফাউন্ডেশনের পেছনে রয়েছে CIA এর হাত। তিস্তা শীতলা বাদ ও তার স্বামী আব্দুল রসুলের মতবিরোধ থেকে মানুষ তা জানতে পারে। এ মামলার তদন্তকারী অফিসার শ্রীকুমার ভাটের স্ত্রী কংগ্রেসের যোগ দেয়। কর সেবকদের মৃত্যু এবং পরবর্তীতে মোদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিন্দু শক্তি এবং সভ্যতার বিরোধিতাই উদ্দেশ্য ছিল।
 |
মাতৃ শক্তিকে |
কঙ্গ্রেসের ইসরোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
আমেরিকা ভারতকে ক্রায়োজিনিক ইঞ্জিন সংগ্রহ করতে দেবে না ।রাশিয়া দিতে আগ্রহী হলে, রাশিয়ার উপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে আমেরিকা। ফলে রাশিয়া পিছিয়ে যায় এই চুক্তি থেকে পিছিয়ে যায়। ভারত নাম্বিবাদ নামে এক বিজ্ঞানীকে এই কাজে নিযুক্ত করে। এই নাম্বিবাদকে বিক্রম সারাভাই ইসরোতে নিয়ে আসেন। এই শ্রীকুমার দেশি ও বিদেশী ভারত শত্রুর ইঙ্গিতে অভিযোগ নাম্বিবাদের বিরুদ্ধে আনে। তিনি নাকি গুপ্তচর বৃত্তিতে নিযুক্ত এবং নাম্বিবাদের জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। এই শ্রীকুমার কংগ্রেসের স্নেহভাজন কিন্তু এই ষড়যন্ত্রের পিছনে মরিয়ম নামে পাকিস্তানি এক মহিলা ছিল। ভারতে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের কাজ পিছিয়ে যায় এবং নাম্বিবাদ প্রায় 18 বছর পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দোষ মুক্ত হন হন। এই শ্রীকুমারই মোদিজীর বিরুদ্ধে ফোন টেপিং এর অভিযোগ আনে।
ভারতে পাকিস্তান জাল টাকার পরিমাণ
নেপাল ও বাংলাদেশ হয়ে এবং মালদার কালিগঞ্জ হয়ে ভারতের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়তো। অনেকে বলতে শুরু করেছিলেন জাল টাকা পাকিস্তানি জাল টাকার পরিমান প্রায় 30% ছিল। তার ফলে অর্থনীতি প্রায় ভেঙ্গে পড়ার কাছাকাছি চলে গিয়েছিল। এবং কংগ্রেসের ষড়যন্ত্রের ফলে ভারতে নোটের কাগজ যে চীনা কোম্পানি দিতো তারা সেই কাগজ পাকিস্তানকে দিত। তার ফলে জাল টাকা তৈরি করা পাকিস্তানের পক্ষে সহজ হয়ে ছিল। নোট বন্দির ফলে এই জাল টাকা বাতিল হয়ে যায়, যারা পাকিস্তান থেকে অর্থ পাচ্ছিলেন তারা চিৎকার চেঁচামেচি করেছেন নোট বন্দি নিয়ে।
ধর্মনিরপেক্ষ পারিবারিক দলগুলো হিন্দুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে। গুজরাটের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে টেরোরিস্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দু'বছর জেলে থাকতে হয়। বাম ও ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো হিন্দুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে। তৎকালিন তদন্তকারী অফিসার বলেছেন যে মালেগাও বিষ্ফোরন কেসে পাকিস্তানের আতঙ্ক বাদিদের ছেড়ে দেওয়া হয় কিন্তু সংঘের(RSS )এবং RAW এর অফিসার ,প্রচারক ও সাধু সন্তদের গ্রেফতার করে।18 বছর জেলে থাকার পর আদালত তাদের মুক্তি দেয়। ঐ সময়ের উপরাষ্ট্রপতি ভারতীয় গোয়েন্দাদের তথ্য পাকিস্তানের হাতে তোলে দেয়। তাতে পাকিস্তান ও ইরানের ষড়যন্ত্রে অনেক গোয়েন্দা মারা যায়।
কংগ্রেসের নেতা শ্রী দিগ্বিজয় সিং বোম্বাইয়ের বিস্ফোরণের ঘটনাকে আরএসএসের ষড়যন্ত্র বলে প্রচার করে। সোনিয়া গান্ধী সহ বাম ও অন্যান্য ধর্মনিরপেক্ষ পারিবারিক দলগুলো হিন্দু সমাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। ইতিহাসের সম্পূর্ণ বিকৃতি ঘটায়।
মনমোহন সরকার ইয়াসিন এবং গিলানির মতো কাশ্মীরের জঙ্গি নেতাদের ভাতা দিতে থাকে। অক্সফোর্ড ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের, গবেষণা অনুযায়ী প্রায় সত্তর হাজার কাশ্মীরে সন্ত্রাসী আক্রমনে হিন্দু মারা যায়। তা সত্বেও কংগ্রেস এই সমস্ত জঙ্গিদের ভাতা দেয়। ভারতের লটারি ব্যবসা থেকে, করিম তেলেগির স্ট্যাম্প কেলেঙ্কারি এবং জাল টাকা সহ বিভিন্ন কুকর্ম করে পাকিস্তান টাকা অর্জন করতো ভারত থেকেই। আবার অন্যদিকে সন্ত্রাস বাদি ঘটনা করতো। হাজারো ঘটনা আছে যা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী ভূমিকার প্রমাণ রাখে এবং ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। শিক্ষা জগৎ, হিন্দি সিনেমা,বিনোদন, মিডিয়া ,রাজনৈতিক জগৎ সব কিছুই ছিল হিন্দু বিরোধীতার মঞ্চ।
 |
শিরদাঁড়া উঁচু করে |
তাই প্রণব মুখার্জি বলেছিলেন যে মোদি সঠিক সময় ক্ষমতায় না এলে ভারতের পরিণতি খারাপ হতো। ভারত যেন হিন্দু বিরোধী শক্তি দ্বারা শাসিত হচ্ছিল।সব সময়ই হিন্দু বিরোধী শক্তি আরব, তুর্কি, পাঠান , পার্সি এবং বৃটিশের ফেলে যাওয়া পরম্পরা যা দাসত্বের প্রতীক তাকে সম্পদ ও আদর্শ করে চলেছিল।
বৃটিশ সরকারের যোজনায় ম্যাক্সমূলার হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল। তিনি তিনটি শব্দ প্রয়োগ করেন তা হচ্ছে" ব্রাহ্মণ্য বাদ" , "আর্যদের আগমন তত্ত্ব" ও "বেদ চাষার গান" । বৃটিশ সরকার এই তিনটি শব্দ প্রয়োগ করে হিন্দু সমাজে পারস্পরিক ঘৃণা উৎপন্ন এবং হিন্দু সমাজকে বিভাজিত করতে সমর্থ হয়েছিল ।যা আজো বর্তমান এবং বাম এবং ধর্মনিরপেক্ষ পারিবারিক দলগুলো অনুসরণ করে চলেছে। "আর্যদের আগমন তত্ত্ব" এবং "দ্রাবিড় শব্দের দ্বারা" তো দক্ষিণ ও উত্তরে ভারত বিভক্ত। জাতিসংঘ ও জার্মাণ বিশেষজ্ঞরা এই তত্ত্বকে ফেক তত্ব, তথ্য এবং প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত নয় বলে খারিজ করে দিয়েছেন।
 |
মোদি ভারত |
মোদিজির কাজ প্রধানমন্ত্রী হয়ে যা করেছেন : ভারত উন্নয়ন মোদি
ভারত বর্ষ ঘুড়ি রপ্তানি করে আয় করবে কেউ ভেবেছিল। মোদিজি গুজরাত থাকাকালীন এই ঘুড়িকে বানিজ্যিক রূপ দেন। বিদেশে ঘুড়ি রপ্তানি করে গুজরাত।
* নোট বন্দি কেন?
পাকিস্তানের তৈরি জাল টাকা যা দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছিল।জাল টাকা দেশের টাকা ৩০%ছিল। নেপাল ও বাংলাদেশ হয়ে মালদার কালিয়াগঞ্জ হয়ে ভারতে ঢুকতো।এতে গান্ধী পরিবারের হাত ছিল।যে কোম্পানি ভারতকে কাগজ দিতো সেই কোম্পানি পাকিস্তানকেও কাগজ দিতো। এই ভাবে ভারতের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে পাকিস্তানের আয় বৃদ্ধির ধান্দায় লিপ্ত ছিল ISI। নোট বন্দির পর পাকিস্তানের কিছু এজেন্ট আত্মহত্যা করেছে। দ্বিতীয়ত ভারতের মানুষ কে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় নিয়ে আসে যা ৭০ বছরে সম্ভব হয়নি। 6 লাখ ভুয়ো কোম্পানির হদিস মেলে।70000খৃষ্টান NGO বিদেশী টাকায় ভারত বর্ষে ধর্মান্তরিত করতে ব্যস্ত তারাও ধরা পড়ে।
 |
ভারত মাতা |
*370 ধারা তোলে দিয়ে তিনি যুগান্তকারী কাজ করেছেন।এ এক অসম্ভব ঘটনা ছিলো।সারা পৃথিবীকে এবং জাতিসংঘকে বোঝাতে হয়েছে। নেহেরু এই বাঁশ দিয়ে গিয়েছিলেন। লক্ষ লক্ষ কোটি ব্যায় হয়েছে।
*এ ছিল CONGRESS এর ওয়াকফ বোর্ড আইন যা হিন্দু ও খৃষ্টানদের জমি দখল করেছিল।সরকারি জমি সহ পার্ক ,খাস জমি দখল করেছিল। সমস্ত বিরোধিতা উপেক্ষা করে এই আইন তোলার ব্যবস্থা করেছেন মোদি।
* বাংলাদেশের এবং পাকিস্তানের হিন্দুরা ছিল দেশ ভাগের শিকার। নেহরু, মুসলিম লীগ ও বামপন্থীরা দেশ ভাগ করে।এটা ছিল ইসলামী তোষণের পরিণাম।তারা স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল। কিন্তু তাদের উপেক্ষা করে রাজনীতি হয়েছিল ভারতে। তাদের CAA এর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দিয়েছেন।
*মোদিজি তিন তালাকের মতো কানুন তোলে দিয়েছেন।
*মনোমোহন সিং কাশ্মীরে জঙ্গিদের ভাতা দিচ্ছিলেন।ইয়াসিন ও জিলানীর মতো লোকেরা ভাতা পাচ্ছিল। মোদিজি তা বন্ধ করেছেন। এ ছিল হিন্দুদের কাছে অপমানকর।
*৭০ বছরে ৬ টি AIMS ,সেখানে এখন ভারতে ২৬ টি AIMS হয়েছে।
*কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্খ্যা বহুল পরিমাণে বেড়েছে।
* MAKE IN INDIA : ভারতের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়েছে। ভারত এখন অস্ত্র রপ্তানি করে।৬৫% আমদানি কমে গেছে। ভারতকে চীনের বাজার করে তোলে ছিল বাম ও ধর্মনিরপেক্ষরা। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী শক্ত হাতে তার মোকাবেলা করেন এবং চীনের বাজার থেকে ভারতবর্ষকে মুক্তি দেন। আত্মনির্ভর ভারতের দিকে এগিয়ে চলেছে ভারত।
Iphone Company ভারতে উৎপাদিত iphone রপ্তানি করেছে 22 বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বাজেটের এক তৃতীয়াংশ।
*ভারত এখন পৃথিবীর ৪র্থ অর্থ ব্যবস্থা।মনোমোহন সিং বলেছিলেন এক বাজেট বক্তৃতায় ,২০৫০ সালে ভারত 5th অর্থনীতি সমৃদ্ধ দেশ হবে । মোদিজি এই কাজ ২০২৫ সালে সম্পন্ন করেন।
* অপারেশন সিন্দুর ও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক।
অপারেশন সিন্দুর ও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ছিল আতঙ্কী হামলার বদলা। মুসলিম তুষ্টি করনের ফলে আতঙ্কী হামলা হওয়া স্বত্বেও তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দল কঙ্গ্রেস পাকিস্তানের বিপক্ষে কোন ব্যবস্থা নেই নি। অপারেশন সিন্দুর ও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ছিল বদলা।
*কঙ্গ্রেসের নেতারা অস্ত্র ক্রয় করে দালালি পেতো এবং একদল দালাল কঙ্গ্রেস পরিবারের সাথে যুক্ত ছিল। মোদি নীতি করেছেন, সরকার ,সরকারি দ্রব্য সরাসরি ক্রয় করবে।বোফর্স কেসে ইতালির নাগরিক কাত্রোচি (৩০ কোটি ভারতীয় টাকা লুটেছিল) দালালি খেয়েছিল। সোনিয়া গান্ধীর মদতে ভারত ছেড়ে চলে যায়। মোদি সরকার লুটের ব্যবস্থা দূর করেন।
*কঙ্গ্রেসের নেতারা ফোন করে লোন দিতেন। ইন্দিরা গান্ধী নিজে ফোন করে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা নিয়েছিল। কিন্তু পরে অস্বীকার করায় ব্যাঙ্ক কর্মী আত্মহত্যা করে। মোদি এই সব দূর করেন।
*কৃষকদের সম্মান নিধি দেয় মোদি সরকার ।
*উজ্জ্বলা যোজনা অনুযায়ী ঘর ঘর গ্যাস এবং ঘর ঘর জল যোজনা অনুযায়ী বাড়ি বাড়ি জল।
*৭০০০০ হাজার পুকুর খনন হয়েছে,দুর্গম অঞ্চলে।
* গরীব মানুষের জন্য ঘর দেওয়া হয়েছে। ঘরের সঙ্খ্যা ৩.৫০ কোটির উপর।
* পৃথিবীর প্রত্যেক সেনাবাহিনী কম বয়সীদের নিয়ে সেনা গঠন করেছে।মোদিজী এই পরিকল্পনা ভারতে চালু করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতে শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক বিদ্রোহ।"অগ্নিবীর" এক সেনা পরিকল্পনা যা সেনাবাহিনীকে গতিশীল ও মজবুত করবে ,তাই মোদিজী লাগু করে দেন । চীন, আমেরিকা ও রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ এই নীতি চালু করে।
* ভারতের চন্দ্র যান চন্দ্রের সেই পীঠে নেমেছে ,যে পীঠে কেউ আজ পর্যন্ত কোন যান নামেনি।এ ছিল মোদি ভারতের এক সাফল্য। ভারত এক সাথে একশটি রকেট উৎক্ষেপণ করেছে, রেকর্ড করেছে। আবার চন্দ্রে মনুষ্য বাহি গগন যানের প্রস্তুতি চলছে।
* ভারত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে আশাতীত ভাবে। বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন অস্ত্র স্বদেশে উৎপাদন করছে। তার মধ্যে ট্যাঙ্ক, মিসাইল,দ্রোণ ও লেজার বীম উল্লেখযোগ্য। ভারত ৫ম ও ৬ষ্ঠ জেনারেশনের বিমান তৈরির চেষ্টা করছে। ব্রম্মোসের মতো মিসাইল ও আকাশ ওকালতি এয়ার ডিফেন্স তৈরি করেছে। নেভী প্রতি এক মাসে একটি দুটি যুদ্ধজাহাজ নামাচ্ছে। প্রায় এক লক্ষ ৯০ হাজার কোটির যুদ্ধ জাহাজ প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারত। ডুবোজাহাজের সঙ্খ্যা বাড়ছে।২০৩৫ সালে ১৫টি সাবমেরিন পাবে ভারতীয় নেভী। ভারত নিউক্লিয়ার সাবমেরিন তৈরি করেছে। Indian army এর অস্ত্র প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।
G20 Summit held in india:G20 countries Sammelon
পৃথিবীর ধনী দেশ গুলোর সম্মেলন হয়েছে ভারতে। এক অসম্ভব মর্যাদা পেয়েছে ভারত। পৃথিবীর অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ দেশ গুলোর সম্মেলন ভারতে প্রথম সফল হলো। ভারতের জন্য এ ছিল এক অমূল্য অভিজ্ঞতা। এই দেশ গুলোর GDP 75%কিন্তু জনসংখ্যা ১/৩ মাত্র।
পৃথিবীর প্রথম AI সম্মেলন হলো ভারতে।168দেশ যোগ দিয়েছে।এ অপূর্ব অভিজ্ঞতা। ভারত সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে চলেছে। গুজরাতে, উত্তর প্রদেশ, উড়িষ্যা, তামিল নাড়ু সহ বিভিন্ন প্রদেশে সেমি কন্ডাক্টর হার্ব তৈরি করেছে। ভারতের অর্থনীতি Boost পাবে এই সেমি কন্ডাক্টরে।Read more
মোদিজি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কর্তব্য করেছেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের স্বয়ংসেবক হিসেবে সামাজিক কর্তব্য করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে রাষ্ট্রীয় কর্তব্য করেছেন।সৎ আদর্শ বাদি কঠিন কাজ করেছেন।একদল লুটেরা এবং হিন্দু বিরোধী হাত থেকে দেশকে বাঁচিয়েছেন।
তিনি অন্য দিকে কবি ও সাহিত্য রসিক।
 |
ঘুড়ি |
উৎসব নামে কবিতা লিখেছেন।হিন্দি থেকে অনুবাদ করেছি।
"উৎসব" .... কবিতা এবং কবিতা
মূল : শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী
ভাবানুবাদ: নীতিন রায়
............................................
ঘুড়ি
আমার কাছে উঁচু ছোঁয়ার স্বপ্নরথ,
এ আমার ☀️ সূর্যের দিকে যাত্রা।
ঘুড়ি,
জন্ম জন্মান্তরে বন্ধন আমাদের স্বপ্ন বৈভব।
সুতো জড়িয়ে আছে আমার হাতে
পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে ,
ইচ্ছে করে আকাশে,
উড়ে যাই পাখির ডানায় ভেসে।
হে আমার ঘুড়ি ,
অনেক ঘুড়ির মাঝে,
জড়ায় না সূতোয়,
বৃক্ষের ডালে হারায় না তার মহিমা।
ঘুড়ি,
তুমি আমার গায়ত্রী মন্ত্র,
ধনী আর গরীব এক ই পথে আসে,
সবার মিলনে মান ভাঙে,
ঘুড়ি তোমার আকাশ ছোঁয়া আনন্দ ধারা,
আকাশ ভাবনায় তুমি আত্মহারা,
পবনের গতি আর দিক দিশার খোঁজে,
উঁচুতে উঠে থাকো কিছুক্ষণ,
তোমার ভাবনায় তুমিই প্রত্যক্ষ প্রমাণ।
ঘুড়ি ,
আমার সূর্যের দিকে যাত্রা,
ঘুড়ির সূতোয় তার জীবন,
আকাশে তার দেবতা,
ঘুড়ির সূতো আমার হাতে,
আমার জীবন শিবের সূতোয়,
জীবন রূপি ঘুড়ির দেবতা,
হিমালয়ের চূড়ায়,
ঘুড়ির স্বপ্ন,
হিমালয়ের চেয়ে উঁচু,
মহাদেবের আশে পাশে ঘুড়ি উড়ে,
মানব জীবন রহস্য ,
জড়ায়ে তার সূতোয়।
মোদিজির বয়স কতো?
মোদিজি ১৭ ই সেপ্টেম্বর ১৯৫০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার ২০২৬ সালে তার বয়স ৭৫ বৎসর।
মোদিজি কে ?:মোদিজির ইতিহাস কি?
মোদিজি একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। ভারতের চতুর্দশ (১৪) প্রধানমন্ত্রী। গুজরাতে ভাবনগরে জন্মগ্রহণ করেন।তারা ৫ ভাইবোন ।২০০১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এবং ২০১৪ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তার বিবাহিত স্ত্রীর নাম শ্রীমতি যশোদাবেন। মোদিজি ১৯৬৮ সনে বিবাহ করেন।তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের হিন্দু জাতীয়তাবাদ পুনঃ : নির্মাণে অঙ্শ গ্রহণ করার জন্য সঙসার জীবন ত্যাগ করেন।
তার পিতা মাতার নাম কি?
মা স্বর্গত: হীরা বেন পিতা দামোদরদাস মুলচান্দ মোদি
তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কি?
তিনি গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৩ সন ডিগ্রি প্রাপ্ত হন।
আবার তিনি School of open learning of Delhi University.
মোদিজির কয়জন সন্তান?
মোদি জির কোন সন্তান নেই। তিনি বিবাহিত জীবনে পা রাখেন নি। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রচারক ছিলেন।
Lifestyle and wellness In : বাংলা ইতি কথা
India, Kolkata, West Bengal, ,Kolkata 700150.
Weathers Report:
Temperature is normal, 29 degrees Celsius.
Sunset: 5:40 P.M
Sunrise: 6:57 A.M
Today's Temperature: Normal
Civil Twilight start: 5.44 A.M
Civil Twilight End: 5:48 P.M
Civil Solar Noon: 11.55 A.M
Born Free And Live Free, Feel Good
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আমর বাংলা ব্লগে সবাই কে অভিনন্দন। মন্তব্য করতে পারেন।