2023 Indian space mission / ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান

Bangla Iti Katha

মহাকাশের  খোঁজে ডারতের  সাফল্য

মহাকাশে ভারত 

 মহান ভারত এবং ভারত তার উড়ান ভরেছে মহাকাশে।মহাকাশের অনন্ত রহস্য উদঘাটনে উড়ান  ভরেছে নব ভারত।ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান। 


প্রযুক্তি ও প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক অন্বেষণ  মহা মাইল ফলক ভারত ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হয়েছে।ভারতের মহান সন্তানেরা তারা তাদের  অঙ্গীকার পৃরণ   করেছে।ইসরো অর্থাৎ ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান এখন পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে।

এ সম্ভব হয়েছে বিজ্ঞানীদের অসম্ভব ত্যাগ ও তিতিক্ষার  ফলে।সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতা ও বিজ্ঞানীদের অসম্ভব ত্যাগের ফলে।এমন এক সময় ছিল যখন মহাকাশ যান সাইকেলে করে হরিকোটায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আজ এই ঘটনায় মনে হয় বিজ্ঞানীদের আত্মবিশ্বাস কতো গভীর ছিল।

মহাকাশ অভিযানে প্রধান মন্ত্রীর দূরদৃষ্টি সম্পন্ন  নেতৃত্ব দেশের উন্নয়নে অনুরোধ হিসেবে কাজ করেছে।গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় থেকেই মহাকাশ ক্ষেত্র  নিয়ে তিনি ভাবনাচিন্তা শুরু করছিলেন।

তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল  মহাকাশ ক্ষেত্রের প্রয়োগ দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার  ব্যপারে দিশা দেখাবে। প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি প্রকল্পে এর ফায়দা মিলছে,যেখানে পরিকল্পনা ও পরিকাঠামো প্রকল্প গুলির  বিঘ্নিত রূপায়ণ ব্যাপকভাবে মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্ব একমাত্র বুঝতে পারেন যে মহাকাশ প্রযুক্তি ও অন্বষেন হলো  মহাশুন্যের রহস্য উন্মোচন এবং  দক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলার  চাবিকাঠি।
প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদীর দৃষ্টিকোণ :

প্রধান মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন,চাঁদে ভারতের সফল মিশন শুধুমাত্র ভারতের একার নয়,এটি ভারতের মানব-মুখি দৃষ্টিভঙ্গি,যাকে সারা বিশ্ব  স্বাগত জানিয়েছে এবং এই মানব মুখি দৃষ্টিভঙ্গি ওপর ভিত্তি করেই  আমরা চন্দ্রাভিযান করেছি এবং এই সাফল্য  গোটা মানব জাতির। 

প্রধান মন্ত্রী মোদির দৃঢ় বিশ্বাস অসচ্ছল দেশগুলি সহ বিশ্বের সমস্ত দেশ এই ধরনের  সাফল্য  অর্জনের সক্ষম এবং ভারতের মতোই চন্দ্র কিম্বা আরো দূর অভিযানের  আকাঙ্খা করতে পারে।

ভারতের 2 দশকের চন্দ্রাভিযানের খতিয়ান অটল বিহারী বাজপেয়ী ও নরেন্দ্র মোদির দূরদৃষ্টি: 

রোভার ল্যান্ডার প্রজ্ঞান

 প্রজ্ঞান


চন্দ্রযান 1:

প্রথম  যাত্রা

প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রথম 15 August 2003 ঘোষনা করেন ভারত প্রথম চন্দ্রাভিযান করবে।2008 এর অক্টোবরে চন্দ্রাযান  উৎক্ষেপন করে। এবং 2009 পর্যন্ত এই যানটি সক্রিয় ছিল। 

উদ্দেশ্য ছিল  চন্দ্রযান চাঁদের কক্ষ ঘুরবে এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিচার  করা।

খরচ হয় মাত্র 361 কোটি টাকা।

চন্দ্রাভিযান 2

স্মরণ রাখার মতো প্রয়াস:

জুলাই 2019  উৎক্ষেপন

লক্ষ্য ছিল  চাঁদের উপরিভাগে সফট ল্যান্ডিং এবং চাঁদের উপরে একটি রোবট রোভারকে চালনা করা।

খরচ 603 কোটি টাকা।

চন্দ্রযান  3

 অন্দ্ধকার দিকের আলোকিত করন:

12 th July, 2023 এ উৎক্ষেপণ

বিক্রমের  রোভারের মাধ্যমে সফট সফল ল্যান্ডিং।প্রজ্ঞা রোভারের মাধ্যমে বিক্রির সফল অবতরণ ও সফল ভাবে সক্ষমতা যাচাই।

খরচ 615 কোটি টাকা।

অবতরণ স্হল  শিবশক্তি পয়েন্ট।

চন্দ্রযান 3

চন্দ্রযানে করে যাবে মানুষ

চন্দ্রযানে মানুষ 


ইসরো ও ভারতের পক্ষে এক ঐতিহাসিক  মুহুর্ত। 

প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রাখা।

বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেব চাঁদে পৌঁছানো এক বড় অভিজ্ঞতা ও অনুভব।

চন্দ্রাযান 3 এর অবতরণের উদযাপন হিসেবে 23 August কে জাতীয় মহাকাশ দিবস ঘোষণা।

রোভার প্রজ্ঞানের ওপর লাগানো লেসার ইনডিউজড ব্রেকডাউন স্পেক্ট্রোস্কোপ     চাঁদের  দক্ষিণ মেরুর  কাছাকাছি অংশে সালফারের (এস)উপস্থিতির  প্রমাণ  দিচ্ছে।

ইসরোর সাফল্য:

মহাকাশের প্রদক্ষিনে ব্যস্ত ভারতের যান

ভারত ও মহাকাশ 






গত 9 বছরে ইসরোর রেকর্ড:

431 টি বিদেশী উপগ্রহ মধ্যে ভারত 316 টি গত 1 বছরে উৎক্ষেপন  করেছে ইসরো।

396 টি উপগ্রহ উৎক্ষেপনের মাধ্যমে গত 9 বছরে ভারত  3300 কোটি টাকার  বেশী আয় করেছে ।

 2017  সালে ভারত রেকর্ড সংখ্যক  উপগ্রহ (104 টি) উৎক্ষেপন করেছে যার মধ্যে 101 টি উপগ্রহ বিদেশী তা আবার বিশ্ব রেকর্ড ও বটে।  তা থেকে আয় ভারতের ।

গত দশকে ভারতের মহাকাশ এবং ভারতের  মহাকাশ অভিযানের বরাদ্দের  পরিমাণ  5615 কোটি তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে 12615 কোটি টাকা

ইসরোর রকেট উৎক্ষেপনের  হার 2014 সালের আগে 1, 2 থেকে বাড়িয়েছে 5, 7.

ইসরো এবং ইসরোর    উৎক্ষেপন কেন্দ্রের ছাত্র উপগ্রহের সংখ্যা বেড়ে 11 ,যা তরুন মনকে মহাকাশের অনন্ত  সম্ভাবনাময় করে তোলেছে।

মহাকাশ ক্ষেত্রে 160টি ষ্টার্ট আপ এগিয়ে এসেছে।যা মহাকাশ ব্যবস্থাকে নতুন উচ্চতায় পৌছে দিয়েছে।

অনন্তের খোঁজে ভারত

অনন্ত 






মাধ্যাকর্ষন অতিক্রম  করে আগুয়ান ভারতের  মহাকাশ ক্ষেত্র:

মহাকাশ ক্ষেত্রে, শিল্প  , ষ্টার্ট আপ ও শিক্ষা ব্যবস্থা  মহাকাশ বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

ভারতে বেসরকারি ভাবে ও রকেট উৎক্ষেপন করেছে।

মহাকাশের নেই অক্সিজেন। তাই খাবার নিয়ে যেতে হবে পৃথিবী থেকে, যারা পূর্বে স্পেস ষ্টেশনে ছিলেন তাদের খাবার নিয়ে যেতে হতো।

মাসের মাস থাকতে হবে স্পেসে পৃথিবী থেকে খাদ্য নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।এই দীর্ঘমেয়াদী সময়ে খাদ্য চাই   আবার খাদ্য উৎপাদন  করার মতো পরিবেশ নেই।অক্সিজেন নেই।

ক্লোরেলা নামে এক উদ্ভিদ প্রচুর অক্সিজেন ত্যাগ করে।এই গাছটি শৈবাল জাতীয় গাছ।কান্ড, মূল নেই।অত্যন্ত হালকা ও বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে গাছটি বেড়ে উঠতে পারে।বিজ্ঞানীদের কাছে এর কদর রয়ছে।সহজ ভাবে চাষ যোগ্য গাছটি।এই মহাকাশ যানের ভেতরের কার্বন ডাই অক্সাইডকে কাজে লাগিয়ে এই গাছের চাষ সম্ভব। এরা অক্সিজেন ত্যাগ করে।এই অক্সিজেন মহাকাশ যাত্রীদের কাজে লাগে।তবে শুধুমাত্র শৈবাল নয় আরো অনেক গাছ মহাকাশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

2010 সালে মহাকাশে স্থায়ী ভাবে বাস করার চেষ্টাও  চলছে।স্পেসস্টেশন নির্মাণ চলছে। স্পেসস্টেশন গুলোতে চাষাবাদ ও চলছে। নানা রকমের  গাছ লাগানোর কাজ চলছে।মাইক্রোগ্র্যাভিটি বা ওজন শুন্য অবস্থায় গাছ কি ভাবে বেচে থাকে।1983 সালে এক বিজ্ঞানী এলেন এইচ ব্রাউন গাছের উপর ঘুর্ননের প্রভাব পরীক্ষা করেন।সূর্য মূখী গাছের উপর ঘূর্ননের প্রভাব পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।বিভিন্ন  দেশ এর উপর পরীক্ষা নিরীক্ষা করা আমাদের  জ্ঞান চক্ষু খোলে দিয়েছে।

Aditya L 1 সূর্যের খোঁজ নিচ্ছে।নির্দিষ্ট কক্ষ পথে থেকে সূর্যের তথ্য সংগ্রহ করছে উপগ্রহটি।এটি একটি বড় সাফল্য। 

Weather Reports of Bengal:

Temperature is high at 31. C . Humidity is higher in the weather. 

India,West Bengal,Sonarpur Arbinda Nagar Kolkatta 700150 .

Lifestyle And Wellness, india Sonarpur Arbinda Nagar Kol 700150

 





মন্তব্যসমূহ