নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস ও আজাদ হিন্দ বাহিনী :সুভাষের বাণী :ভারত বর্ষ: আজাদ হিন্দের গুপ্তচর বাহিনী:
![]() |
Selfless Leader |
![]() |
Scottish Church College |
মুম্বই এর দূতাবাসে নেতাজী ছদ্ধবেশ যেতেন। সেখানেই জার্মান গুপ্তচর সংস্থার প্রধানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।তিনি জার্মান গুপ্তচর সংস্থার কাজ কর্ম অধ্যায়ন ও কাছ থেকে নিরীক্ষণ করার সুযোগ পান। সেই অনুযায়ী তিনি পরিকল্পনা তৈরি করেন।তিনি মহানিষ্ক্রমনের পূর্বই এই পরিকল্পনা মাফিক চলতে থাকে ।
মোহন সিংহ একটি গুপ্তচর সংস্থা তৈরি করলেন।তারা ছিল অনভিজ্ঞ।তাই মোহন সিংহ তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলেন।তাদের কল্পনার জাল সূদূর প্রসারী ছিল না বৃটিশ আদলে তৈরি।
![]() |
AJad Hind Radio |
নেতাজীর অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগালো।তিনি এবের আদলে গুপ্তচর সংস্থা তৈরি করলেন। Indian National Army কে সহযোগিতা করার জন্য যে গুপ্তচর বাহিনী গড়ে উঠেছিল তার মিল ছিল জার্মান গুপ্তচর সংস্থার সাথে।
![]() |
Calcutta Municipality |
দৈনন্দিন তথ্য সংগ্রহ , তার বিশ্লেষণ ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের প্রয়োগ হয়।অসংখ্য সাধারণ মানুষ নিযুক্ত হলো নব প্রেরণায়।সংগঠনটি কার্যকর করে তোলতে মূল্যায়ন পদ্ধতির উপর নজর দেয় ।
Free India centre গঠিত হলো এবং কাজ শুরু করলো। Centre টি কূটনৈতিক মর্যাদার ও পেল। এই প্রথম স্বাধীন জাতীয় সত্বা হিসেবে লোন পেল। নেতাজীর ব্যক্তিগত খরচ 400 পাউন্ড নির্ধারিত হলো।
মাসিক 1200 পাউন্ড খরচ নিয়ে Free India centre কাজ শুরু করলো।1944 সালে তা দাড়ায় 3200 পাউন্ডে।
Free India centre এর পরিকল্পনা অনুসারে আজাদ হিন্দ সরকারের ন্যায় আজাদ হিন্দ রেডিও প্রতিষ্ঠিত হয়।কিছু ভারতীয় সাংবাদিককে ট্রেনিং দিয়ে এ কাজ শুরু হয়। তারপর আরো দুবৎসর পর হল্যান্ডের হোইজনের মাত্র 45 মিনিটের জন্য এ কার্যক্রম তৈরি হয়।
মোট বাংলা সহ 7 টি ভাষায় সম্প্রচার হতো।তারপরে ওয়াজিরি স্হানে।Free India Centre তৈরিতে কোন জার্মান সহযোগিতা নেওয়া হয়নি।
মালয়ের পর পেনাং একটি সংগঠন গড়ে ওঠে যার নাম ছিল স্বরাজ Institute. তাতেও মালয়ের প্রবাসীদের নিযুক্ত করা হয়।
স্বরাজ Institute গঠন করে রাসবিহারি বসু।ভারতের অভ্যন্তরে গুপ্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া।সংগ্রহ করা হলো একশোজন যুবক।রাসবিহারি তাদের বললেন বাংলার রাজা ও নবাবের কুবুদ্ধিতে ভারতের স্বাধীনতা অস্তমিত হয়েছে। তাই বাঙালিদের আগে প্রাণ দিতে হবে।
সত্যেন্দ্র বর্ধন,ফনী রায়,ননী পাল ,হৃষিকেশ নন্দী,হরিপদ ভৌমিক ও শরৎচন্দ্র দত্ত। মোট সংখ্যা ছিল একশ।এই শিবির থেকে প্রায় চল্লিশ জন উড়িষ্যার সমুদ্র উপকূল দিয়ে ভারত বর্ষে ঢুকে। পরবর্তী তে কানু ও ফণীর মাদ্রাজে ফাঁসি হয়।
1943 সালের তেসরা জুলাই প্রথম প্রথম প্রশিক্ষণের শিবির শুরু হয়।তাদের মধ্য থেকে আবার দশ জনকে।ডঃ মজুমদার,ডঃ প্রফুল্ল দত ও ডঃ সুবীর তাদের ট্রেনিং দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণের বিষয় ছিল :
1) বেতার বার্তা প্রেরণ ও গ্রহন।
2) ট্রান্সফর্মর তৈরি।
3) প্রচার অভিযান।
4) বিস্ফোরক তৈরি ও ব্যবহার।
5) গুপ্ত আন্দোলন চালনা করা
6) শত্রুর ক্ষতি সাধন ও ধ্বংসাত্বক কাজ করা।
7) শত্রুর সংবাদ সংগ্রহ।
8) প্রয়োজনীয় ছদ্ধবেশ ধারণের কৌশল।
নেতাজীর নির্দেশের একটি টিমকে ভারতে কাজ করার জন্য পাঠানো হয়।ডুবোজাহাজে করে কোনারকের মন্দিরের সামনে নামিয়ে দেওয়া হয়।
তারা ভারতে এসে আজাদ হিন্দের প্রচার শুরু করে।সিক্রেট সার্ভিসের কাজ যেমন শুরু হয়।12 জনের একটি মুসলিম দল বিশ্বাস ঘাতকতা করে। তাতে অনেকে ধরা পরেএবং ফাঁসি হয়।
নেতাজীর সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায় তার রচনাবলী থেকে: প্রাচীণ ভারতের ইতিহাসকে বিকৃত করার প্রতিবাদ :
ঐতিহাসিক ও সামাজিক বিষয় সম্বন্ধে একটি কথা বলি।মি: কিনান যখন ইস্পাত উৎপাদনের কথা বলেন তখন দৃঢ় ভিত্তিতে দন্ড এবং তাহার আত্মবিশ্বাস সম্পদ বিশেষ।কিন্ত তিনি যখন প্রাচীণ ইতিহাস কিংবা সমাজবিজ্ঞানের কন্টক ময় অরণ্যে ঢুকিয়া পড়েন তখন তাহার আত্মবিশ্বাস প্রতিবন্দ্ধক হইয়া দাড়ায়।
মি: কিনান বলেন:"তিনি (জে এম টাটা) উপলব্ধি করিয়াছিলেন যে মনুর সময় হইতে ভারত ধনিকশ্রেণী ও দাস শ্রেণীর দেশে পরিণত হইতে নিয়ে বদ্ধ ছিল। " অর্থনীতিতে ইহা সুবিধা যে বৃহৎ পরিধি উৎপাদনের ফল স্বরূপ ধনতন্ত্রের আর্বিভাব। সাম্প্রতিক কালের ঘটনা।
মনু এবং তাহার পরে কি ভাবে ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু থাকিতে পারে তাহা আমার বুদ্ধির অগম্য।এমন কি আমরা ভারতে বর্তমানে যে জমিদারি প্রথা আছে তাও সাম্প্রতিক কালে। এমন কি প্রাচীনকালে রাষ্ট্র ও সম্পদ জমাইয়া রাখিত না। সে ক্ষেত্রে প্রচলিত বিশ্বাস ছিল যে রাষ্ট্র জনগণের মধ্যে সকল কিছু বন্টন দিবে। এ ক্ষেত্রে প্রকৃষ্ট উদাহরণ ছিলেন সম্রাট হর্ষবর্ধন যিনি প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর নিজের কোষাগার শুন্য করিয়া ফেলিতেন ।
মি: কিনান আরো বলেন:"আমরা টাটা জানি যে ভারতে তাহার পূর্বে 'শ্রমিক ' শব্দটি কারিগর অর্থে ব্যবহার করিয়া থাকেন ,তবে তিনি ভুল করিয়াছেন। ভারতের গ্রামীন অর্থনীতিতে কারিগর দের ভূমিকা- সে কাঠের মিস্ত্রি হউক,কামাই হউক কিম্বা কুমার হউক কখনো ঘৃণার চক্ষে দেখা হইতো না।তাহারা গ্রামীন অর্থনীতির অপরিহার্য অঙ্গ অবশিষ্ট গ্রাম বামেদের সঙ্গে তাহাদের সম্পর্ক ছিল পরিপূর্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ এবং আন্তরিক! শিল্প জগতের সর্বহারা মানুষ অর্থে শ্রমিকরা হইলেন ধনতন্ত্রের কুফলসন্ঞ্জাত এবং ইহার সঙ্গে ভারতীয়দের ইতিহাসের সংযোগ নাই। যদি ভারতে শ্রমিকদের ঘৃণার তবে তা অন্যান্য দেশে অনুরূপ। আমি ইউরোপিয়ান কারখানার ভারতীয় শিক্ষা নবীশদের কাছ থেকে শুনেছি ইউরোপিয়ান কারখানা গুলিতে শ্রমিক ও পরিচালকদের মধ্যবর্তী ব্যবধান খুবই বিরাট।
মি:কিনান যখন বলেন যে" সাধারণ নিয়মানুসারে শ্রমিক অর্থ সন্চয় নিষিদ্ধ ছিল এবং তাহার প্রভু তাহাকে দাসত্ব হইতে মুক্তি দিলেও সে দাসই থাকিয়া যাইত" তখন তিনি ভ্রান্ত। আমি বিস্মিত হইযা ভাবি মি: কিনান কোথা হইতে এই মুল্যবান তথ্য সংগ্রহ করিলেন।পক্ষান্তরে আমরা জানি যে যে ভারতে নিম্ন শ্রেণীর মানুষেরা নিজেদের ব্যক্তিগত গুনের দ্বারা অনেক সময় সর্বাধিক মর্যাদার আসন পাইতেন।
আমরা যদি বর্তমান মহারাজের ও জমিদারের পূর্ব ইতিহাস অনুসন্ধান করি তাহা হইলে এই সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যদি পাওয়া যেতে পারে।সমাজের তথাকথিত নিম্ন শ্রেণী
হইতে উদ্ভব বাংলার কৈর্বত্ত রাজাদের উদাহরণ এই প্রসঙ্গে আমি দিতে পারি।
নেতাজীর হিন্দু পরম্পরা প্রতি শ্রদ্ধা:অমিয় বসুকে লেখা চিঠি:
চরিত্রের প্রকৃত ভিত্তি স্থাপন করতে হলে - বিবেকানন্দের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। আমাদের চরিত্রের প্রধান দোষ। -আমাদের একাগ্রতা নেই। concentration নেই। এই পূর্বে ধ্যানভ্যাস করতে হতো।এই একাগ্রতা সঙ্গে চাই "tenacity "-"লেগে থাকা"। একটা আদর্শকে আঁকড়ে ধরতে এবং সেই আদর্শের পেছনে সমস্ত জীবনটা কাটিয়ে দিতে হবে।বাঙালি যদি concentration ও tenacity লাভ করতে করতে পারে -যদি তার চরিত্রে একাগ্রতা ও আদর্শ প্রবণতা আসে তাহলে তার সঙ্গে আর কেউ পেরে উঠবে না।কারণ চরিত্রের অন্যান্য উপাদান তার সবই আছে। একটা কথা সর্বদা মনে রাখবে-যে সংসারে হীণতা ও কুটিলতাকে জয় খেতে হলে শুধু ভালোবাসার দ্বারা সেটা জয় করা যায়।এর চেয়েও বড় সত্য ইহাতে নেই। যদি জীবন কোন বস্তু ঘৃণা করতে হয়- তাহলে ঘৃণা করা উচিত নীচতা ও কুটিলতাকে।........
গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু বলেছিলেন-"মেরছে কলসীর কাণা , তাই বলে কি প্রেম দিব না"।
সন্ন্যাসীর আদর্শ বাইরের নয় --প্রাণের ভিতরে।গৈরিক ধারণ করলে সন্ন্যাসী হয় না।এই যুগের যে সন্ন্যাস,সে সন্ন্যাসীর অর্থ হলো --কর্ম সন্ন্যাস। অর্থাৎ সমস্ত ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে একটা মহান আদর্শের জন্য জীবনটা ঢেলে দিতে হবে।এর নাম নিস্বার্থ কর্ম।
তুমি জান যে আমি নিজে একবার বাড়ী ছেড়ে বেড়িয়ে গিয়েছিলাম। গুরু খোজবার আকাঙ্খা আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে গেছল।মনের মতো গুরু পাই নাই। তাই ফিরে আসি।সেই সময় বুঝতে পারি সংসার বাইরের নয় ভেতরের ।বনে গেলেও সে আকাঙ্খার কথা চিন্তা করবে যদি তার আকাঙ্খা রয়ে গিয়ে থাকে।তবে আমি স্বীকার করি যে মাঝে মাঝে নির্জন স্হানে যাওয়া ভালো ও থাকা দরকার।
তারপর নারীর কথা। ব্রহ্মচারী দুই রকমের আছে--প্রথম অবস্থায় ব্রহ্মচারী মানে শরীর শুদ্ধ রাখা।
এরপরের অবস্হা নারীর উপর কামনা পোষণ না করা।প্রথম রকমের ব্রহ্মচারী হওয়া কঠিন ব্যাপার নয় দ্বিতীয় রকমের ব্রহ্মচারী হতে হলে বহুকাল চেষ্টা ও অভ্যাস দরকার। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে খাটি ব্রহ্মচারি হতে হলে দুইটা জিনিষ চাই:
1)জীবনে একটা মহান আদর্শের প্রাণের চেয়ে ভালোবাসতে হবে।তাহলে automatically অন্যকোন বাসনা মন থেকে সরে যাবে।
2)মাতৃরূপে নারীর চিন্তা করা চাই-- অর্থাৎ দুর্গা বা কালিরূপে ভগবানের আরাধনা চাই। এই রকমের ধ্যান ও প্রার্থনা করতে করতে মনের এমন একটা অবস্থা আসবে যে স্ত্রী লোককে দেখলে বা স্ত্রীলোকের কথা চিন্তা করলে-- মায়ের কথা মনে পড়বে।এই ভাব অনেকটা ঘণীভূত করতে আমাদের শাস্ত্রে ও তন্ত্রে অনেক পূজার আয়োজন আছে যেমন কুমার পূজা। অর্থাৎ কুমারী মাকে সামনে বসিয়ে জগত জননীর কথা চিন্তা করে।
অল্পদিনের চেষ্টায় সফল না হতে পারলে-- হতাশ হওয়া চলবে না।বিবাহ পরে তুমি কর না কর ---এখন থেকে ব্রম্মচর্য্য পালন করতে হবে।প্রত্যহ সকালে এবং যদি দুর্গা মুর্ত্তির ধ্যান করা হয় তবে উপকার পাওয়া যায়।
চন্ডীতে আছে--
বিদ্যা: সমস্তাস্তব দেবী ভেদা:
স্ত্রিয়: সমস্তা সকলা জগৎসু"
সমস্ত বিদ্যা তোমার ভিন্নরূপ এবং সমস্ত স্ত্রীজাতি ও তোমার ভিন্নরূপ-- হে বিশ্ব জননী"।
গণতন্ত্র কি পশ্চিমের দান:
জনৈক গভর্নর একদা বলিয়াছিলেন এ দেশে গনতন্ত্রের ভাবধারা পশ্চিমের দান।আমরাও উহা সত্য বলিয়া মানিয়া লইয়াছি।কিন্ত এখন আমাদের চোখ খুলিয়াছে।
এখন আমারা দেখিতেছি যে বুদ্ধদেবের আমল হইতে এ দেশে শুধু গণতান্ত্রিক সরকারই নয়,যাহাকে আমরা পৌর সরকার বলি তাহাও বর্তমান ছিল ।জয়সওয়ালের মতো প্রসিদ্ধ পন্ডিতদের ঐতিহাসিক গবেষণা ও রাজশাহীর বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির মিউজিয়ামের মতো স্হানে রক্ষিত সাক্ষ্য প্রমাণে ইহা প্রমাণিত হইয়াছে যে ভারত গণতান্ত্রিক ও পৌর শাসনের সঙ্গে প্রাচীণতম কাল হইতে পরিচিত আছে। পৌর প্রশাসনের প্রয়োজনীয় পরিভাষা প্রাচীন ভাষা ও সাহিত্যে পাওয়া যায়।
স্বাধীনতার জন্য জাতির আকুতি: শ্রী রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ
যথাসময়ে প্রতিক্রিtয়া দেখা দিল।জাতি আত্মসচেতনাতায় উদ্বুদ্ধ হইয়া স্বাধীনতার জন্য আকুল হইলো।কিন্ত সঠিক পথের সন্ধানে অন্ধকারে হাতড়াইতে লাগিল।সমস্যা দাড়াইল দেশে অবস্থিত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক জাতিগত এবং ধর্মগত গোষ্ঠি গুলির সমন্বয় সাধিত হইবে কিভাবে।ভারত বর্ষের এই নানাত্ব এবং বৈচিত্র্য পশ্চাতে কোন মূল্য ঐক্য আছে কিনা ইহাই প্রশ্ন।
এই সময় শ্রীরামকৃষ্ণ আবির্ভূত হইয়া সর্বকালের জন্য সমাধানের পথ করিয়া দিলেন।তিনি ঘোষণা করিলেন যে সকল ধর্মই একই সর্বশক্তিমান বিধাতার চরনতলে সম্মিলিত হয়। সর্বজনীন পরমত সহিষ্ঞুতা এবং প্রেমের ভিত্তিতে ভারতে সকল ধর্মের সমন্বয় ভারতীয় জাতীয়ত্ববোধ বিকাশের স্থায়ী ভিত্তিমূল গড়িয়া তুলিবে।
স্বাধীনতার আর্দশ:
ভারতীয় জাতীয়তাবাদ নিরাপদ ভিত্ গড়িয়া উঠিলেন স্বামী বিবেকানন্দ আবির্ভূত হইয়া জনসাধারণের মধ্যে প্রাণের সন্চার করিয়াছিলেন।তিনি ইহা উপলব্ধি করিয়াছিলেন যে একমাত্র স্বাধীনতার আলো ভারতীয় জীবন কে উদ্ভাসিত করিতে পারে।তাহার বক্তৃতার , কবিতাও রচনার মধ্যেই দিয়া তিনি ঘোষণা করিলেন:"
স্বাধীনতার আর্দশ: বিশ্বে ভারতের বাণী,
ভারতীয় জাতীয়ত্বের নিরাপদ প্রথম ভিত গড়িয়া উঠিলে স্বামী বিবেকানন্দ আবির্ভূত হইয়া জনসাধারণের মধ্যে প্রাণ সন্চার করিয়া দিলেন। তিনি ইহা উপলব্ধি করিয়াছিলেন যে একমাত্র স্বাধীনতার আলো ভারতের জীবনকে উদ্ভাসিত করিতে পারে।তাহার বক্তৃতাবলী ,কবিতা ও রচনার মধ্য দিয়া তিনি ঘোষনা করিলেন:"স্বাধীনতার আত্মার সঙ্গীত "। নি:সংশয়ে বলা যায় বিবেকানন্দ আত্মিক স্বাধীনতার কথাই বলিয়াছিলেন কিন্ত ইহাও তর্কাতীত যে আত্মার জাগরণে জীবনের প্রতিটি স্তরে জাগরণের প্রকাশ ব্যক্ত হয়ে উঠে।একটি স্বাস্থ্য সম্পন্ন মানুষের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ প্রাণের আভা বিচ্ছুরিত হইয়া থাকে।অপর পক্ষে যে মানুষটি যখন অসুস্থ হয়, তাহার প্রতি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ পাংশু এবং রোগগ্রস্ত হইয়া উঠে জাতির পক্ষে ইহা ও সমপরিমাণে সত্য।স্বাধীনতার জন্য আকাঙ্খা জাতির জীবনে সত্য হলে জীবনের সকল স্তরে সঞ্চারিত হইয়া যায়।
অরবিন্দ সম্পর্কে নেতাজী:
স্বাধীনতার অঙ্কুরোদ্গত ভাবধারাকে নতুন রূপ ও কাঠামোতে বিন্যস্ত করিবার জন্য শ্রী অরবিন্দ ঘোষ অবির্ভূত হইলেন। তিনি ঘোষণা করিলেন: বৃটিশ-শাসন হইতে মুক্ত পূর্ণ স্ব শাসনে আমাদের আদর্শ।
ইহা সাহসিকতা পূর্ণ এবং উদ্দীপনাময় উক্তি।শুধু বাংলা নয়, সমগ্র ভারত বর্ষ প্রাণবন্ত এবং কর্মচন্চল হইয়া উঠে। এই ভাবে মনের সুপ্ত আকাঙ্খা প্রকৃত তাৎপর্য ব্যক্তিগত হইলে সমগ্র দেশ যেন সমস্বরে উচ্চকন্ঠে বলিয়া উঠিল:"অবশেষে আমার মনের মানুষটিকে পাওয়া গিয়াছে।
বন্ধু গণ, সেই সময়ের সেই সুরে ভারতবর্ষের কয় জন নেতা বলিতে সাহসী ছিলেন এবং পঁচিশ বছর জাতীয়ত্ববোধ জাগ্রত করতে সক্ষম ছিলেন ?
বিশ্বে ভারতের বাণী
আমি বিশ্বাস করি ভারতবর্ষের বাচিয়া থাকিবার প্রয়োজন রহিয়াছে বলিয়াই বাচিয়া আছে।বিশ্ব চায় ভারত বর্ষ বাচিয়া থাকুক। তাহার বিশ্ব কে দেবার অনেক কিছু রহিয়াছে শিখাইবার রহিয়াছে , যে জাতির বিশ্বের জন্য বাণী আছে, সে কখনো মরিয়া যাইতে পারে না।ইতিহাসে উল্লেখিত কত জাতি ধরাপৃষ্ঠে হইতে অন্তর্ধান করিলে ও কালের প্রবাহ অতিক্রম করিয়া ভারতবর্ষ বিশ্ব ভান্ডার অনেক কিছু দিয়াছে, এখনো ভারতবর্ষের শিক্ষা দ্বারা বিশ্ব উপকৃত হইতে চায়।......
বর্তমানে ইউরোপ মানবতার আদর্শের কথা চর্চা করিয়া থাকে কিন্ত পাচশত বছর পূর্বে আমাদের কবি চন্ডিদাস তাহার কবিতার মধ্য দিয়া এই আদর্শ প্রচার করিয়া গিয়াছেন।
Temperature is high and tolerable:
Weather Reports: Rain Today
:Not comfortable.







মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আমর বাংলা ব্লগে সবাই কে অভিনন্দন। মন্তব্য করতে পারেন।