দেশ ভাগ হয়েছিল দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে।এই দাবি ছিল মুসলিম লীগের। কম্যুনিস্ট পার্টি লাহোর Resolution এর মাধ্যমে একে সমর্থন করেছিল। জ্যোতি বাবু নিজে পাকিস্তান আন্দোলনের জন্য অর্থ তুলেছিলেন। আর প্রখ্যাত বাম পন্থী সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আনন্দ বাজারের রবি -বাসোরিয়তে দাবি করেছেন , দেশ ভাগ মুসলিমরা করেছে।হিন্দুরা দেশভাগ চায়নি। ভূতের মুখে রাম নামের মতো তার বক্তব্য।
![]() |
| দেশভাগের পরিণাম |
পাকিস্তান দাবির সাথে সাথে মুসলিম লীগ Direct action day এর ডাক দেয়।হিন্দু নিধন শুরু হয় ।অসংখ্য হিন্দুর প্রাণ যায়।তেলেঙ্গানা,নোয়াখালী ও কলকাতায় মহা নিধন করে মুসলিম লীগ। মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলন সহিংস আন্দোলনে পরিণত হয়।মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলন হিন্দুদের নির্জীব করে দেয়। এই হত্যা কান্ড এতটাই ভয়াবহ ছিল যে রবীন্দ্রনাথ ও শরৎ চন্দ্র মুসলিম সমাজের তীব্র সমালোচনা করলেন। হিন্দুসমাজের দুর্বলতা ও মহাত্মার তামাশা নিয়ে ও বলেছেন।
![]() |
| জীবন পথে |
এই নির্জীবতা ও দুর্বলতা পাপ বই কিছু নয়।রবীন্দ্রনাথ মহাত্মা গান্ধীর খিলাফত আন্দোলনকে তীব্র কটাক্ষ করলেন। দাঙ্গা পীড়িত হিন্দুসমাজকে দেখতে রবীন্দ্রনাথ নাথ ঠাকুর তেলেঙ্গানার অকুস্হল ভ্রমণ করলেন। ফিরে এসে বই লিখলেন কালান্তর।কথা শিল্পী শ্রী শরৎ চন্দ্র লিখলেন খিলাফত আন্দোলনে হিন্দুরা সর্ব শান্ত ও প্রাণান্ত হয়েছে।এই দুই ভারত মাতার সন্তান সাম্প্রদায়িক ছিলেন এমন কথা বলার দুঃসাহস কারো নেই। সাদাটাকে সাদা বলা ও সত্যটা সত্য বলা সাম্প্রদায়িকতা নয়।
মুসলিম তোষন ও কংগ্রেসের বেপরোয়া নীতির ফলে ও বামেদের সহযোগিতায় দেশ ভাগ হলো।কিন্ত হিন্দুদের অবস্থা ফিরলো না বাংলাদেশে ও পাকিস্তানে।দেশ ভাগের সময় ও পরে পাকিস্তানে ও বাংলাদেশের হিন্দুদের বিতারণ ও হত্যা ও নারী ধর্ষণ চলতেই থাকলো।
![]() |
| ষড়যন্ত্র কারিরা |
তখনকার জনগনণা অনুযায়ী পাকিস্তানে হিন্দুদের সংখ্যাছিল 25% ও বাংলাদেশে এই সংখ্যা ছিল 32%। কিন্ত এখন তার সংখ্যা কমে বাংলাদেশে ও পাকিস্তানে দাড়িয়েছে যথাক্রমে 7.50% এবং 1%।দেশ ভাগের পরে তো লিয়াকত- নেহেরু চুক্তি হলো ও ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি হলো কিন্ত বাংলাদেশে ও পাকিস্তানে হিন্দুদের সংখ্যা কমলো এবং অত্যাচার থামলো না।
কিন্ত ভারতে মুসলমানদের সংখ্যা 4% থেকে 14% হলো।আবার CAA এর বিরোধিতা চললো।নেহেরু 1955 সালে নাগরিকত্ব আইন পাশ করিয়ে শরণার্থীদের সমস্ত অধিকার কেড়ে নিলো।হিন্দুসমাজকে বোকা বানিয়ে মুসলিম তুষ্ট করণ চলতে লাগলো।সন্দেশ খালির শাজাহান শরণার্থীদের উপর চরম অত্যাচার চালালো এ যে বল্গাহীন ও বেপরোয়া তোষন নীতির ফল।
1955 সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আসা এবং 1948 সালের 19 July পরে ভারতে আসা কোন ব্যাক্তিই ভারতের নাগরিক নন। গুগলে 1955 সালের নাগরিকত্ব আইন পেয়ে যাবেন,পরীক্ষা করে দেখুন। মোদি সরকার, শরণার্থীদের প্রতি ধারাবাহিক এই প্রতারণা শোধরাচ্ছেন।সব নেতা ও দল একথা জানতেন। হিন্দুদের বোকা বানিয়ে মুসলিম তোষন করে, সাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিয়ে তারা হিন্দুদের প্রতারণা করে গেছেন।বাম কংগ্রেস ও তৃণমূল সবাই এই ষড়যন্ত্র করেছেন।
মহাত্মা গান্ধীর বয়ান শরণার্থীদের নিয়ে বয়ান
'পাকিস্তানে বসবাস কারি হিন্দু ও শিখ অবাধে ভারতে আসতে পারেন,যদি তারা ওদেশে বসবাস না করতে চান। সেই পরিস্থিতিতে, চাকরির ব্যবস্থা করা এবং জীবনকে বাসযোগ্য করে তোলা ভারত সরকারের কাজ' ।
দেশ ভাগের সময় বাম পন্হীরা পাকিস্তান আন্দোলনকে সমর্থন করেছিল। তারা দাবি তোলেছিল পাকিস্তান হবে তো দেশ স্বাধীন হবে ।পরবর্তিতে ভূপেশ দত্ত,বাসুদেব আচার্য,গৌতম দেব প্রভৃতিরা বাংলাদেশের হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য লড়াই করেন কিন্ত নেহেরু কর্নপাত করেন নি।প্রকাশ কারাত চিঠিতে লিখলেন NDA সরকারকে,
"with regard to the treatment of refugees after the partition of our country, the minorities in Bangladesh,have faced persecution, and it is our moral obligation, that if circumstances force people,these unfortunate people to seek refuge in our country, approach to granting citizenship to these
unfortunate persons should be moral liberal".
ভূপেশ দত্ত,বাসুদেব আচার্য প্রভৃতি বাম পন্হিরা সংসদে লড়াই করেছেন বাংলাদেশের হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য ,এখন কেন CPIM বিরোধিতা করছে ? CAA হওয়ার জন্য এখন কেন বিরোধিতা?
আদর্শ ও নীতিহীনতার চরম নিদর্শন। তখনতো সাম্প্রদায়িকতার কথা মনে হয়নি তাদের।তারা সরাসরি বাংলাদেশের হিন্দুদের কথাই বলেছিলেন।
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি কি বলেছেন?
Let us not forget that the Hindus of East Bengal are entitled to the protection of India, not on humanitarian consideration alone,but by virtue of their sufferings and sacrifices, made cheerfully for generations, advancing their own parochial interests, but for laying the foundations of India's political freedom and intellectual progress. It is the united voice of the leaders who are dead and of the youth who smilingly walked up to the gallows for India's cause that calls for justice and fair play at the hands of Free India Today.(19th April,1950).
নেহেরু ই ভারতকে সাংস্কৃতিক ভাবে ও ধর্মীয় ভাবে (হিন্দুদের) প্রতারিত করার জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন। minority তুষ্টি করনের ভিত্তি ভূমি।
বাংলাদেশে হিন্দুদের কেন দেশভাগের শিকার হতে হলো ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সব চেয়ে প্রাণ দিয়ে?
তারাও ভারতের স্বাধীনতার জন্য লড়েছেন।সূর্য সেন ও তার সাথীরা,উল্লাস কর দত্ত , শান্তি ও সুনীতি এসে নাগরিকত্ব চাইলেও তারাই তো নাগরিকত্ব পেতেন না।
![]() |
| লিয়াকত নেহরু চুক্তি |
যারা CAA এর বিরোধিতা করছে তারা কি মানুষ না অন্য কিছু?
রবীন্দ্রনাথ পড়লে মনে হয় মহাত্মার উদ্যত মনোভাব দেশ ভাগের জন্য দায়ী। আর তার জন্য প্রাণ গিয়েছে হিন্দুর।
নাগরিকত্ব সংশোধন কেন প্রয়োজন?
CAA হচ্ছে The Citizenship Amend Act 2019 অর্থাৎ নাগরিকত্ব আইনের সংশোধন। মোদি সরকার আইনের পরিবর্তন ঘটিয়ে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে চাইছেন। কারণ নেহরু কৃত আইনে(1955 সালের নাগরিকত্ব আইনে) শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবার কোন ব্যবস্থা নেই ।আগেই বলেছি 1948 সালের 19 শে জুলাই এর পর যারা এসেছেন তারা ভারতের নাগরিক নন।
আফগানিস্তান বহু আগেই হিন্দুশুন্য হয়েছে।দেশভাগের সূচনা অনুযায়ী 19% মুসলমানদের জন্য 23% জমি দেওয়া হয়েছে।নেহেরু লিয়াকত চুক্তি ও মুজিব ইন্দিরা-মুজিব চুক্তিকে অগ্রাহ্য করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ হিন্দুদের বিতারণ চালু রাখে। তাই পাকিস্তানে হিন্দুদের সংখ্যা 1% এবং বাংলাদেশে 7.5%নেমে আসে।
তাই ভারতবর্ষে শরণার্থী হিন্দুরা যেন আত্মমর্য্যদা
সম্পন্ন জীবন যাপন করতে পারে তার জন্য মোদি নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয় ।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন 2019 এ শরণার্থী কারা ?
রাষ্ট্র সঙ্ঘের ইউনাইটেড নেশনস হাইকমিশন ফর রিফিউজি রিপোর্ট অনুযায়ী 1941 সালের জেনেভা কনভেনশন এবং 1967 সালের উরুগুয়ে প্রটোকল অনুযায়ী উদ্বাস্তু ও শরণার্থী সংজ্ঞা:
"যদি কোন দেশের নাগরিক বা মানুষ জাতি,ধর্ম,রাষ্ট্রীয়তা,সামাজিক বা রাজনৈতিক কোনো বিশেষ দলের সদস্য হওয়ার জন্য নিজের দেশে অত্যাচারিত হন এবং গভীর ভয়ে দেশে ফিরতে না চান,তবে ওই মানুষটি দ্বিতীয় বা আশ্রয় দেশে উদ্বাস্তু বা শরণার্থী হিসেবে গণ্য হবেন"।জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী বাংলাদেশের ও পাকিস্তানের হিন্দুরাই শরণার্থী।
1955 সালের ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করার প্রযোজন হলো কেন?
1955 সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী রেশন কার্ড,আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়।এগুলো নাগরিকত্বের সাক্ষী প্রমাণ নয়।ঐ আইনে উল্লেখিত পদ্ধতিতে আপনি নাগরিকত্ব পেতে পারেন অন্য কোন আইনে নয়।কারণ এই আইনে বলা আছে 1948 সালের 19 জুলাই এর পর ভারতে যারা এসেছেন তারা কেউই ভারতের নাগরিক নন এবং তাদের সন্তানরা ও নয়।এই আইনের নাম হচ্ছে "The citizenship Act 1955". এই আইন নেহেরু সময়কার।
ভারতের" নাগরিকত্ব আইন 1955" সালের আইন অনুযায়ী কি ভাবে নাগরিক হতে পারেন?
ভারতের নাগরিক হতে পারেন এই আইনের যে কোন একটি পদ্ধতিতে:
1) জন্ম গত ভাবে।
2) বংশোদ্ভূত ভাবে।
3) রেজিস্ট্রেশন দ্বারা অর্থাৎ আবেদন পত্রের মাধ্যমে।
4) স্বাভাবিকরণের মাধ্যমে।
জন্ম গত ভাবে হন: কি ভাবে হবেন?
যদি আপনি অনুমোদিত হন নিম্নভাবে।
জানুয়ারি 1950 থেকে জুন 1987 র মধ্যে ভারতে জন্ম গ্রহন করে।
জুলাই 1987 থেকে ডিসেম্বর 2004 এর মধ্যেই ভারতে জন্ম গ্রহন করেন। এবং পিতামাতা ভারতের নাগরিক।
2004 সালে মধ্যেই ভারতে জন্ম গ্রহন করেন। পিতামাতা অবৈধ নাগরিক নয়।
এই সেকসানে শরণার্থীদের কথা বলা নেই।কারন তারা জন্ম গত ভাবে ভারতের অধিবাসি নয় এবং তাদের মা বাবা ভারতে জন্মান নি।
বংশোদ্ভূত ভাবে:
এই সেকসান কাজে লাগে যখন আপনি ভারতের বাইরে জন্ম গ্রহন করেছেন এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত হলে।
বাবা ভারতের নাগরিক কিন্ত আপনি ভারতের বাইরে জন্ম গ্রহন করেছেন এবং আপনি 1950 থেকে 1992 এবং এর মধ্যে জন্ম গ্রহন করেন।
1992 সালের পরে জন্ম গ্রহন করেছেন এবং পিতামাতা ভারতের নাগরিক। এই সেকসানেও হিন্দু শরণার্থীদের কোন ব্যবস্থা নেই।
রেজিস্ট্রেশন দ্বারা:
ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং 7 বছর ধরে রয়েছেন।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং অবিভক্ত ভারতের বাইরে রয়েছেন।
ভারতের নাগরিক কে বিয়ে করেছেন এবং 7 বছর ধরে রয়েছেন।
এখানেও শরণার্থী দের জন্য ব্যবস্থা নেই।কারণ আপনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত নন।
স্বাভাবিক কারণ দ্বারা।
পূর্বোক্ত শর্তগুলো যেখানে পূর্ণ হচ্ছে না সেখানে শরণার্থীদের আবেদন করার জায়গা করে দিয়েছেন মোদি সরকার এটাই CAA.
দুটি মূল শর্ত। একটি হচ্ছে তিনি অনুপ্রবেশ কারি নন এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংখ্যা লঘু হবেন।জাতিসংঘের আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠরা এ দেশের নাগরিক হতে পারবেন না ।বাংলাদেশের ও পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠরা অর্থাৎ ওখানকার মুসলিমরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন না। কারন তারা বাংলাদেশের হিন্দুদের বিতারণ ও দেশভাগ করেছে এবং মুসলিমরা সেখানকার সংখ্যাগরিষ্ঠ।
নাগরিকত্ব আইন সংশোধন, 2019 এ স্পষ্ট ভাবে যা বলা হয়েছে।
ক) আফগানিস্তান , বাংলাদেশ,পাকিস্তানের সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়ের বিশেষ ভাবে শিখ,হিন্দু,বৌদ্ধ,জৈন,পারসি
ও খ্রীষ্টান - যাদের কেন্দ্রীয় সরকারের পাসপোর্ট আইনের উপধারাতে(2 )বলা হয়েছে যে ফরেনার্স আইনে বলা হয়েছে 1946, প্রযুক্ত হওয়া থেকে ছাড় দেওয়া দিয়েছে, তারা এই আইনের (নাগরিকত্ব আইন)জন্য বেআইনি অনুপ্রবেশকারী বিবেচিত হবেন না।অর্থাৎ তারা নাগরিকত্বের জন্য বিবেচিত হবেন ।
খ) কেন্দ্রীয় সরকার অথবা তার দ্বারা নিযুক্ত কোনো কর্তৃপক্ষ এক আবেদনের ভিত্তিতে উপরোক্ত শরণার্থীদের নথিভুক্ত করতে বা স্বাভাবিক (স্বাভাবিক নাগরিকত্ব)প্রত্যাবর্তন সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।
গ) সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্যক্তি তার ভারতে প্রবেশের তারিখ থেকে ভারতের নাগরিক রূপে গণ্য হবেন।
ঙ) নতুন আইন অনুযায়ী কোনও ব্যক্তি নাগরিকত্ব পেলে, অবৈধভাবে থাকার জন্য তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে কোনো মামলা থাকার কারণে কোনো ব্যক্তি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হবেন না এবং কেন্দ্র সরকার বা তার দ্বারা এই উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোনো কর্তৃপক্ষ তার আবেদন পত্র বাতিল করবেন না।
চ) যে শরণার্থীরা অবৈধ থাকার সময়ে যে জমি বাড়ি কিনেছেন,বা চাকরি করেছেন বা অন্য সব অধিকার ও সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছেন বা ভোগ করে আসছেন, সেগুলো থেকে বঞ্চিত হবেন না।
ছ) এছাড়াও, 'স্বাভাবিক নাগরিকত্ব 'প্রদানের ক্ষেত্রে সময়কাল 11 বৎসরের পরিবর্তে 5 বৎসর হবে।
এই আইনের ফলে হিন্দু শরণার্থীরা যে ভাবে উপকৃত হবেন।
এই নতুন সংশোধনী আইন2019 আইন অনুযায়ী হিন্দু শরণার্থী/উদ্বাস্তুরা নাগরিকত্ব পেয়ে আত্ম মর্য্যদা ও স্বভিমানের
সঙ্গে মাথা উচু করে এদেশে বসবাস করবেন।বাংলাদেশে অত্যাচার কারণে যারা এসেছেন তারা শরণার্থী শব্দ থেকে মুক্তি পাবেন।
শাজাহান সন্দেশখালিতে বাংলাদেশ থেকে আগত শরণার্থীদের পুলিশে দেবার ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়ীর মেয়েদের ধর্ষন করতো।তাদের নাগরিকত্বের অভাবে শরণার্থী মেয়েদের জেলে যাবার ভয় পেতো , শাজাহান সহ অন্যদের কাছে আত্মসমর্পণ করতো। শরণার্থীদের শাসক দলের দাস হয়ে থাকতে হবে না।ওখানকার হিন্দু মেয়েরা বলেছে কোন মুসলিম মেয়েকে ধর্ষন করতো না শাজাহান।এটা তিন দশক ধরে চলেছে।
2) হিন্দু শরণার্থী ও বেআইনি অনুপ্রবেশ কারিদের পার্থক্য স্পষ্ট করে দেওয়ায় কোন ধোয়াশা নেই।এই সংশোধিত আইনে আপনি সুরক্ষিত আছেন। কেউ হিন্দু শরণার্থীদের ব্ল্যাক মেইল করতে পারবে না।
![]() |
| শরণার্থীদের ঢল। |
3) নাগরিকত্ব সংশোধনের দ্বারা 31ডিসেম্বর 2014 মধ্যেই যারা এসেছেন। তারা নিশ্চিত নাগরিকত্ব পাবেন।
বেআইনি অনুপ্রবেশ কারি কারা?
বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দুরা শরণার্থী এবং জাতিসংঘের আইন ও ইহাকে সমর্থন করে।
যারা বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং তারা ভারতে বেআইনি ভাবে প্রবেশ করেছে তারাই অবৈধ অনুপ্রবেশ কারি।খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কান্ড তারাই ঘটিয়েছে।
ভারতের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রি পি এম শহিদ সংসদ ভবনে আজ থেকে ত্রিশ বছর আগে বলেছেন ভারতে বেআইনি অনুপ্রবেশ কারিদের সংখ্যা তিন কোটি।বাংলায় রয়েছে এক কোটি সত্তর লক্ষ।তিনি যে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তা on record. তিনি ত্রিশ বছর আগে এ কথা বলেছেন। বর্তমানে রোহিঙ্গাদের আগমন ঘটেছে। সংখ্যা বাড়বে বই কমবে না।
সংশোধনী উল্লিখিত আফগানিস্তান,পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত মানুষ দের কি পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হবে ?
যেদিন ভারতে প্রবেশে করেছেন সেদিন থেকেই ভারতের নাগরিক হয়ে যাবেন। হারাবেন না কিছুই। আইনের 6b ধারায় কাউকেই পাচ বছর অপেক্ষা করতে হবে না।যেদিন থেকে ভারতে প্রবেশ করেছেন সেদিন থেকে পাঁচ বছর।
সংশোধনী আইন কাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।যারা 1948 সালের 19 July এর আগে যারা এসেছেন তাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না।তাদের ক্ষেত্রে আইন ভারতের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। কিন্ত যারা 1948 সালের 19 Julyর পরে এসেছেন তাদের জন্য এই সংশোধনী। বাংলাদেশ থেকে আগত সব শরণার্থীদের করতে হবে।বাবা মাকে করতে হবে তা না হলে সন্তানরা নাগরিক হবেন।
কি কি নথি দিতে হবে?
পুরোহিত দের নিকট হতে বা আশ্রম থেকে আপনি হিন্দু এই মর্মে সার্টিফিকেট নিতে হবে।
ধর্মীয় উৎপীড়ণে আপনি এসেছেন কি ভাবে প্রমাণ করবেন ?
স্বেচ্ছা ঘোষণা পত্রই যথেষ্ট ।ধর্মীয় উৎপীড়নের জন্য কোন প্রমাণ পত্র লাগবে না।
যারা যে সুযোগ পাচ্ছেন তা থেকে তারা বঞ্চিত হবেন না।
এখন কিছু পরিসংখ্যান দেখুন:
Afghanistan:
1970 ...........7.70 lakh Hindu
2017............. 7000 Hindus
Pakistan
1947...........15% Hindus
1998............1.6% Hindus
Bangladesh
1951............22% Hindus
2021 ......... 7.5% Hindus
Decline of the Hindu population of Bangladesh
Year...........Muslim.......Hindus
1951.............76.9%.........22%
1961..............80.4%........18.5%
1971...............85.4%.......13.5%
1981...............86.7%.......12.1%
1991...............88.3%.......10.5%
2001...............89.7%........9.2%
2011...............90.4%........8.5%
But the Muslim population has increased in India.
Year..............Hindu.......Muslim
1947............. 85%............9.8%
2011..............79.8%........14.2%
The Muslim population is increasing but the Hindu population is decreasing in a great way. But they are playing the victim card.
In West Bengal population :
Year....Hindu...Muslim ..other
1951...78.45%..19.85%..1.70%
1961...78.80%...20%......1.20%
1971...78.11%...20.46%..1.43%
1981...76.96%...21.51%..1.52%
1991...74.72%...23.61%..1.67%
2001...72.47%....25.25%..2.2%
2011...70.54%...27.01%...2.44%
In West Bengal demography is changing alarmingly.
How is demography changing in West Bengal?
District.....Muslim Population
Murshidabad..............67%
Malda............................51%
South Dinajpur..........50%
Birbhum.......................37%
South 24 Parganas.....36%
Nadia.............................27%
Howrah.........................26%
KochBihar....................26%
North Dinajpur..........25%
Kolkatta........................21%
(2011 census).
পশ্চিম বাংলার জনসংখ্যার বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটছে।এই জনসংখ্যার পরিবর্তন আর্থ ও সামাজিক কাঠামোকে ভেঙ্গে দিচ্ছে।ভারতের বিভিন্ন স্থানে এই অনুপ্রবেশ কারিরা দাঙ্গা বাধাচ্ছে।দিল্লী ,হরিয়াণা ও উত্তরখন্ডে দাঙ্গা বাধিয়েছে।বে আইনি অনুপ্রবেশ রাজনীতিকে প্রভাবিত করছে। এর পিছনে রয়েছে আগ্রাসন।
নেহেরু লিয়াকত চুক্তিতে অনুযায়ী কী বলা হয়েছিল?
এই চুক্তিতে বলা হয়েছিল যে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত বিভাজনের ফলে সৃষ্ট দুদেশের ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ যারা নিজের ধর্মের দেশে ফিরে আসতে চায়, তাদের ক্ষেত্রে,
যে সংখ্যা লঘু ব্যক্তি যে দেশে অবস্থান করছে সে দেশে সে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে।
তাদের বাড়ীর মহিলাদের যারা লুট করছিল তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে।
যাদের সম্পত্তি লুট হয়েছিল সেই লুট করা সম্পত্তি মালিককে।
জোর করে ধর্মান্তর করা যাবে না।
সংখ্যা লঘু আইন চালু করতে হবে। পাকিস্তান কিছুই পালন করেনি।
এই আইনের যারা বিরোধিতা করেছেন তারা অমানবিক ও স্বভাবে অনার্য। ভাবুন 290 মামলা জমা পড়েছে হাইকোর্ট। এরা কারা ভারত বিরোধী শক্তি নয়তো।
Today's weather is dry and hot. Temperature is also higher than 42 degrees celsius. Railway running trains without disruption.
India West Bengal
Sonarpur A.P.Nagar Pin 700150








মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আমর বাংলা ব্লগে সবাই কে অভিনন্দন। মন্তব্য করতে পারেন।