একদিকে রাজনীতির গরম, অন্যদিকে তাপ প্রবাহ। আবহাওয়ার খবর অনুযায়ী 2024 ব্যতিক্রমী হয়ে তাপপ্রবাহ বাড়াবে।
Heat wave বা গরম তাপপ্রবাহ আমাদের জন্য বিপদজনক হতে পারে।এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত Heat wave চলবে।আবহাওয়া দপ্তর থেকে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে তাপপ্রবাহে সারা ভারত কাঁপবে।ভয়ঙ্কর অবস্হা মোকাবেলা করতে হবে।Hotspot and Heat wave সর্বত্র। গরমে জেরবার।
শহর বাড়ছে।কংক্রিটের জঙ্গল বাড়ছে।গরম বাড়ছে। খোলা জমি কমছে।জঙ্গল ও কমছে।আর কমছে আবহাওয়ার সহজ ভাব টা কঠিন হয়ে উঠেছে জীবনযাত্রা।
কল -কারখানার কারনে তাপমাত্রা বেড়েছে। খনিজ দ্রব্য তোলার ফলে বাড়ছে।
শিকাগো হিট ওয়েভে মারা যায় 880 জন।তাপপ্রবাহে এই মৃত্যু পৃথিবীকে নাড়িয়ে দেয়।এই ঘটনার পরেই জনস্বাস্থ্য ও আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা নড়েচড়ে বসে। এরপর 20 বছর ধরে মৃত্যু ও মৃত্যু।
কোলকাতার তাপপ্রবাহ 42 degree বেশী হবে 47 degree হতে পারে।
গরমে আপনার কি করা উচিত?
প্রথমেই বলবো কাপড় চোপড় পরিষ্কার রাখুন।
বাইরে গেলে শ্বেত শুভ্র পোষাক পড়ুন।ঢিলে ঢালা পোষাক পড়ুন।
মাছ মাংস থেকে দূরে থাকুন ।
পরিমিত জল খান।
লেবুর জল নুন দিয়ে খান।ors পান করুন।
টক দই বা লাস্যি খান।ঘরে পাতা দই খান।
বাইরে থেকে এসে বিশ্রাম নিয়ে স্নান করুন।
বিছানা পরিষ্কার রাখুন।
ফলমূল খান। স্যলাড খান।সহজ পাচ্য জিনিস খান।
মশলাযুক্ত খাবার খাবেন না। মশলা নামে মাত্র দিয়ে খান।
ছায়া পথ ব্যবহার করুন। ভীড় থেকে দূরে থাকুন।
বিশ্রাম নিন। বিশ্রামের প্রয়োজন আছে।
ঘুমাবেন বেশি ।বিশ্রামের জন্য ঘুমের প্রযোজন।
নেশা করবেন না।মদ ও সিগারেট না ছুলেই ভালো।
ব্যায়াম না করে বিশ্রাম নেওয়া বলে।
হাটা বন্ধ করবেন না।
ছাতা ব্যবহার করুন।মাথায় গার্ড দিন।
Junk food একদম খাবেন না।ভাজা পুরি কম খাবেন।
এই নিয়ম গুলো মেনে চলুন। ভালো থাকবেন।
অনেকে পান্তা খেতে লজ্জা পান।পান্তা কিন্ত বাংলার পরিশ্রমি লোকেরা খেয়ে থাকেন।এটা চলে আসছে আবহমান এখন কিছু ডাক্তার বলছেন সূগার কমায় পান্তা।গরমে স্বস্তি দেয়।
কেউ হঠাৎ গরমে অসুস্থ হলে কি করণীয়?
কেউ গরমে অসুস্থ হলে।ডাক্তারের কথা প্রথমে না ভেবে তার শরীর ঠান্ডা করার কথা ভাবুন।বগলে,কুচ ও ঘাড়ে বরফ দিন।আইসব্যাগ বা কাপড়ে বেধে বরফ রাখুন।
আপনি কখন রাস্তায় বেরোবেন?
কাজ থাকলে বারোটার আগে করে নিন। বারোটা থেকে চারটা পর্যন্ত না বেরোনোই ভালো ।যদি বেরোতে হয় ছাতা টুপি নিয়ে বেরোবেন ।জল সঙ্গে নিন।
রোদে কেউ অসুস্থ হলে তাকে ছায়ায় নিয়ে আসুন। চোখে মুখে জলদিন।সুস্থ না হলে হাসপাতালে পাঠান।
আবহাওয়া এতো তীব্র কেন ?
ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে এই তীব্র গরম হাওয়া আসছে।সেখানে তীব্র দহন চলছে।এই গরম হাওয়ায় কোন জলীয় বাষ্প নেই তাই গায়ে লাগছে।
শিশুদের নিয়ে কি ভাবা উচিত। শিশুদের ঘরের বাইরে একদম নয়।জল খাওয়াতে হবে।ঠান্ডা ঘরে রাখতে হবে।স্নান করাতে হবে।সুতীর কাপড় পড়ান ।বিকেলে শিশুদের নিয়ে খোলা জায়গায় ঘুরে আসুন।
দাবদাহে নাজেহাল পশুর পাল।তারা কাহিল হয়ে পড়েছে।জল , গ্লুকোজ ও ORS দেওয়া চলছে।
বৈশাখের প্রবল দাবদাহে প্রায় অস্থির বন্য পশু পাল।কাকর , লাউদাহ, আউশ গ্রামে নানাধরনের গাছ গাড়ির সমহার।কোভিডে দূষণ মুক্ত জঙ্গল, শাল ,পিয়াল, মহুয়া,ছাড়াও নানা ধরনের গাছ গাছড়ার মধ্যে পাখির বিচরণ ক্ষেত্র।জীব বৈচিত্র্যের প্রাণ ফিরে পেয়েছে শজারু, অজগর, ময়ুর,পশুপাখিরা ।পাশাপাশি মানুষের পশু হত্যার মানসিকতা কমেছে।পান্ডবশ্বরে হায়েনা নেকড়ে দেখা যাচ্ছে।দেশের জঙ্গলে চিতল হরিণদের দেখা যায়। গরমে ও বৃষ্টির অভাবে সবুজ কমে গেছে।আবার দাবদাহ।ডাক্তারের পরামর্শে গ্লুকোজ পশুদের দেওয়া হচ্ছে।
রাস্তার কুকুর দের এই দাবদাহে কঠিন অবস্থা জল নেই।গরমে কুকুরকে বেশী করে জল খাওয়ানোর প্রয়োজন। অসুস্থ হলে ORS দিন। কুকুরদের গ্যারেজ ও ফ্ল্যাটের তলায থাকতে দিন।বাড়ির জলের পাত্র রাখুন। কুকুর অসুস্থ হলে ঠান্ডা জলের স্নান করবে।।হিট স্ট্রোকের লক্ষণ দেখতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। রাস্তার কুকুরদের মতো ঘোড়ারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।জল ও ও আর এস খাওয়ানোর পর সুস্থ হতে পারে।
![]() |
| গরমে কুজো বিক্রী |
রাজনীতির ময়দান গরম হয়ে উঠেছে।উৎসব চলছে।গরমে জেরবার মানুষ। কিন্ত এপ্রিলে ভোট করা দস্তূর হয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারি মাসে তাপপ্রবাহ বাড়তে শুরু হয় কিন্ত এপ্রিল মাসে তা পার্থক্য দাঁড়ায় গিয়ে বারোর বেশী।নির্বাচন কমিশন কে অনেক আটঘাট বাধতে হয় বিশ্রামের ব্যবস্থা, জলের ব্যবস্থাও,ভোটারদের জন্য অস্থায়ী ছাউনি, হিট স্ট্রোকের ব্যবস্থা।
Weather Updates : Temperature is high and dry.
তাপমাত্রা 45 সেলসিয়ার্সে পৌছতে পারে। তাপমাত্রা শুষ্ক ও চর চরে।উত্তর বঙ্গের কয়েক জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে।
গ্রীষ্মকালে জল কতোটা খাওয়া উচিত।
তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থা।বাড়ীর বাইরে পা রাখলেই সূর্যের রোদ যেন ঝলসে দিচ্ছে।শরীর থেকে দর দর পড়ছে ঘাম।এই পরিস্থিতিতে জল কতটুকু খাওয়া উচিত তা আমাদের ভেবে দেখা উচিত। পর্যাপ্ত জল খাওয়া উচিত।
জল আমাদের দেহে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।এর কাজের অন্ত নেই। রক্ত তৈরি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে জল। এছাড়াও জল তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, হোমে সাহায্য করে,মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে , খারাপ পদার্থ বের করে দেয়,জয়েন্ট কে পিচ্ছিল রাখতে সাহায্য করে ইত্যাদির। তাই জনকে জীবন বলাই যায় ফলে কিছুটা সময়ান্তরে জল পান করুন বিশেষত গরমে জল প্রয়োজনীয়তা বাড়তে পারে।
এবার আমরা জানবো কতোটা জল পান করা আবশ্যিক। একটা ব্যক্তির কতটা জল জরুরি তা তার পেশা ওজন, উচ্চতা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।তবে সাধারণ হিসাবে বলা যেতে পারে দিনে তিন থেকে চার লিটার জল পান করতে হবে।একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ , মহিলা কিম্বা পুরুষের এই পরিমাণ জলপান করা উচিত। তবেই এই গরমে শরীর সুস্থ রাখতে পারবেন ।এমনকি জল ঘাটতি প্রাণ নামের কারন হতে পারে।
আপনি যদি দিনের বেশিরভাগ সময়ই বাইরে থাকেন তবে আপনার জলের পরিমাণ বাড়াতে হবে।সঙ্গে জলের পান করুন। গলা ও জিভ শুকিয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। বরং তার আগেই জল পান করুন তাহলেই শরীর সুস্থ থাকবে ।
এছাড়া খুব গরমে দুপুরর দিকে না বেরোনোই মঙ্গল।তাপের মাত্রা কমলে বাইরে পা রাখুন।
আগেই বলেছি বাইরে যেতে গেলে টুপি ছাতা রাখুন। আর জলের পরিমাণ ঠিক করুন। যারা এসিতে রয়েছেন।তারা গলা ভিজিয়ে নিন।
ডাবের জল খান , এতে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে । এছাড়া বাড়িতে ফল কিনে এনে জুস করে খেতে পারেন। ভিটামিন,মিনারেল ও আন্টি অক্সিডেন্ট মিলবে। সঙ্গে তৃষ্ণা মিটবে ।তবে বাইরের কাটা ফলের জুস ও খাওয়া চলবে না।এতে আলাদা করে সুগার মেশানো থাকে যা ক্ষতিকর। এছাড়াও গ্রীষ্মের দিনে চা, কফি,কম পান করুন। এতে লাভের বদলে ক্ষতি হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কারা জল মেপে খাবে।
কিডনির অসুখে যারা ভুগছেন তারা জল মেপে খাবেন, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী হবে। হার্টের রোগে জল মেপে খেতে হয়।
49 বৎসর আগে এই রকম তাপমাত্রা পানাগড়ে সর্বোচ্চ 46.6সেলসির্য়াস ছিল। এই রেকর্ড ভেঙ্গে যাবে এই বার।এইবার সে রেকর্ড ভেঙ্গে যেতে পারে।তাপমাত্রার পরিমাণ নিম্নে দেওয়া হলো।
#কোলকাতা ও সল্টলেক 40.2 সেল
#ব্যারাকপুর 43.00 সেল
#দমদম 42 সেল
#পানাগড় 45.1সেল
#বাকুড়া 44.6 সেল
#কলাইকুন্ডা 43.6 সেল
#আসানসোল 43.4 সেল
#পুরলিয়া 46.6সেল
#শ্রীনিকেতন 42.5 সেল
#সিউড়ি, ক্যানিং মগরা ও বর্ধমান 42 সেল।
* সেলসিয়ার্স= সেল।
Temperature Today's 45 degree celciours.
India West Bengal Sonarpur Arbinda Nagar Pin 700150





মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আমর বাংলা ব্লগে সবাই কে অভিনন্দন। মন্তব্য করতে পারেন।